• বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১
Top Stories
কে বাঁচে, কে মরে, কে সিদ্ধান্ত নেয়? আজ প্রেস ফ্রিডম অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম Shahidul Alam’s exhibition opens at Rubin Museum in New York Photojournalist Shahidul Alam—who served time for his activism—gets retrospective at the Rubin Museum On Life in Prison সামরিক নজরদারিতে সাংবাদিকতা সাংবাদিকের বয়ানে সংবাদমাধ্যমের সরকার তোষণ জনস্বার্থে সাংবাদিকতার অতীত ঐতিহ্যকে পুনর্বহাল করতে হবে আইসিটি আইনে মামলা ও রিমান্ডের খোঁড়াযুক্তি! অভিনব সংকটে বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নতিটা অসুস্থ, এড়ানোর উপায় কি করোনার নতুন ধরণ মোকাবিলা; কোন পথে বাংলাদেশ কোভিডে চড়া বাজারদর; টিসিবি এসব কী করছে! নদীর জন্য জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশের কৃষকরা প্রচলিত আইনে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না: পুলিশের গুলিতে পঙ্গু কাঞ্চন ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে সিলেটের সাংবাদিক নিজামুল হক লিটনের আত্মহত্যার নেপথ্যে ইসরায়েল প্রসঙ্গ: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র কি বদলে যাচ্ছে মহামারিতে স্বল্পমূল্যের চিকিত্সাসেবা বলতে চিকিৎসকরা কি এই বুঝিয়েছিলেন? ইসরায়েলে প্রদর্শনী: ছবি ফিরিয়ে নিলেন শহিদুল আলম ও গিডিয়ান মেন্ডেল কোনোভাবেই চুপ থাকতে রাজি নন সাংবাদিক জীবন ৬ দিনে ৯ মামলা: পুলিশি নির্যাতনের বিচার চান সাংবাদিক ইফতেখার বস্তুনিষ্ঠ স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার গোটা সমাজের গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্যও অপরিহার্য টিকাপ্রদানে বৈষম্যের শিকার শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী পেশী প্রদর্শনে আমলাতন্ত্র আগের চেয়েও বেপরোয়া, মনে করেন ৯২.৬% সাংবাদিক যেন কেটিএস ফিরে এসেছে সেজান গ্রুপের কারখানায় আগামীর কর্মসংস্থান: অচিরেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে নতুন যেসব পেশা আগামীর কর্মসংস্থান: জমজমাট যেসব পেশা অচিরেই যাবে বাতিলের খাতায় আগামীর কর্মসংস্থান: গার্মেন্টসে সংকটে নারী শ্রমিকের পেশাগত ভবিষ্যৎ ‘বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জরুরিভিত্তিতে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন’ সেজান-সজীব গ্রুপের কারখানায় অগ্নিকাণ্ড: লাশ হস্তান্তরে সমন্বয়হীনতা, স্বজনদের দুর্ভোগ মাল্টিমিডিয়া গ্যালারি অফ দ্রিক

Bangladeshi photojournalist Shahidul Alam on jail, torture, and why he won’t stay silent

অগ্রহায়ণ ৩, ২০২০ / Driknews

Shahidul Alam is a Bangladeshi photojournalist and activist whose criticism of his government landed him in jail in 2018. But that hasn’t silenced him, as Rob Gerhardt discovered when he caught up with him in New York.

Photojournalist Shahidul Alam sits in a lecture hall at the Columbia University School of Journalism in New York, a long, long way from the Bangladeshi prison where he was jailed for 107 days in 2018.

His time in prison and the torture that he endured haven’t slowed the activist down or taken the ever-present smile from his face. But Alam still faces the possibility of a 14-year prison sentence in Bangladesh after an interview with Al-Jazeera in which he criticized the government for its violent response to road safety protests.

He was let out of prison on bail after an international backlash, but the case is still winding its way through the judicial system. The High Court in Bangladesh issued a stay on the police investigation until Alam’s petition to the High Court is concluded. When we met, he was confident the case would be dropped at a court hearing scheduled for December 18.

But the Bangladeshi court did not respond to his case on that date, and made no statement about it. Sofia Karim, his niece, told me afterwards that she thinks this is the government’s attempt to keep the case dragging on – and hanging over him. She felt it also allows the government to keep pressure on Alam without admitting that they don’t have a case against him. So, as we went to press, things remained in a state of limbo, without even a future court date.

Alam’s visit to New York coincided with the first major exhibition of his work in the U.S., at the Rubin Museum of Art. Titled Truth to Power, it follows the publication of his new book, The Tide Will Turn (published by Steidl).

The book is in four parts; the preface and first section, Keranigani Jail, tell the story of Alam’s arrest, his time in prison, and the work done by those both named and unnamed who worked to get him out. Sections called Art, Politics and Letters follow.

The book reads like a memoir, interspersed with sections of photographs from all stages of his career. The text and photographs are tied together through telling the stories of the people involved, whether they are in the frame or not.

মুন্নী রহমান

সরকার তো স্থানীয় পরিষদ নির্বাচন করল, গ্রামে সমানে মিছিল মিটিং হচ্ছে , কিছুইতো বুঝতে পারছি না একদিকে লক-ডাউন অন্যদিকে নিরবাচন ?

এভাবেই আমাদের পাশে থাকুন